শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০২ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
চট্টগ্রামে দুই ধর্ষকের যাবজ্জীবন

চট্টগ্রামে দুই ধর্ষকের যাবজ্জীবন

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার (০৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোতাহের আলী এ রায় দেন। একই রায়ে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিত দুই আসামি হলেন- রফিকুল ইসলাম ওরফে মামুন ও জহিরুল হক। এদের মধ্যে মামুন খুলনা জেলার দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা আজিম হাওলাদারের ছেলে। আর জহিরুল হক নোয়াখালী জেলার চরজব্বর থানার বাসিন্দা শফি আলমের ছেলে।

অ্যাডভোকেট এম এ নাসের বলেন, ‘সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় এবং ৯ (১) ধারায় দুই দফা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। অন্যদিকে জহিরুল হককে একই আইনের ৯ (১) ধারায় আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।’ দণ্ডিত দুই আসামি জামিনে বেরিয়ে গিয়ে তারপর থেকে পলাতক রয়েছেন বলেও তিনি জানান।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি নগর ডবলমুরিং থানাধানী ঈদগাহ কাঁচাবাজার এলাকায় পোশাক কারখানায় চাকুরিপ্রার্থী এক নারীকে তুলে নিয়ে গিয়ে রফিকুল এবং জহিরুল ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ২৮ জানুয়ারি ওই নারী বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ২০০৯ সালের ২১ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। একই বছরের ১৮ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT