শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:১৮ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রাঙামাটির পর্যটন খাত

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রাঙামাটির পর্যটন খাত

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ গত জুন মাসের পাহাড় ধসের পর কয়েক মাস রাঙামাটিতে পর্যটকদের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে। তবে বিজয় দিবসের ছুটি এবং শীত চলে আসায় আবারও পর্যটকমুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন এলাকা। ফলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন ওই এলাকার পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

গত ১৩  জুন রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এরপর প্রায় এক মাস ধরে রাঙামাটির সঙ্গে দেশের অন্যান্য স্থানে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরে সড়ক যোগাযোগ  চালু করতে পারলেও ঝুলন্ত সেতু চার মাস পানির নিচে ছিল। এসব সমস্যা দূর হওয়ায় রাঙামাটিতে এখন আসতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। ফলে লোকসান পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়কে পর্যটন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এই সময় প্রচুর পর্যটক দেশের দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণ করেন। সাধারণত শীত মৌসুম হওয়ায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রাঙামাটিতে এসময় পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়ে। তবে জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঝুলন্ত সেতু পানিতে ডুবে থাকায় পর্যটকরা তেমন  আসেননি।

রাঙামটি ভ্রমণে আসা পর্যটকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। পাহাড় ধস ও ঝুলন্ত সেতু ডুবে থাকার কারণে এতোদিন রাঙামাটিতে আসা হয়নি বলে জানান তারা। এখন সুযোগ পেয়ে রাঙামাটি সৌন্দর্য অবলোকন করছেন তারা।

ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা দম্পতি আশিক চৌধুরী ও টুম্পা চৌধুরী বলেন, ‘রাঙামাটির অপার সৌন্দর্য্য দেখে মুগ্ধ হয়ে আছি। নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ তার বিশাল এক নির্দশন হলো রাঙামাটি। এক কথায় আমরা মুগ্ধ। দেশের ভেতরে এত সুন্দর জায়গা আছে না আসলে জানার সুযোগ হতো না।’

টাঙ্গাইল থেকে ঘুরতে আসা জ্যোৎসা আক্তার বলেন, ‘অনেক ভালো লাগছে। রাঙামাটির চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য অন্য রকম। তবে লেকের পানিতে পানির বোতলসহ অন্যান্য খাবার পণ্য ফেলায় পানি দূষিত হচ্ছে। এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ জরুরী।’

হোটেল হিল পার্কের ব্যবস্থাপক স্বপন শীল বলেন, ‘পাহাড় ধসের পর থেকে পর্যটকরা তেমন আনেননি। ফলে আমাদের ব্যবসাও হয়নি। বিজয় দিবসের ছুটি, শীত মৌসুম ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এসময় পর্যটকদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আশা করছি আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারবো।’

পর্যটন বোটঘাট ইজারাদার মো. রমজান আলী বলেন, ‘বিজয় দিবসের ছুটির পর থেকে পর্যটক আসতে শুরু করেছেন। আমাদের বোটগুলো আগের চেয়ে এখন ভালোই ভাড়া হচ্ছে। কাপ্তাই লেকে বোট দিয়ে বিভিন্ন স্পট ঘোরা যাবে। নিরাপত্তার জন্য সব ব্যবস্থা করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।’

এ সময় ব্যবসায়ীরা পর্যটন খাতের উন্নয়নে রাঙামাটির বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানান।

পর্যটন করপোরেশনের কর্মকর্তা জগদীশ চাকমা বলেন, ‘ভূমি ধস ও পরে প্রবল বর্ষণের ফলে প্রায় চার মাস পানিতে ডুবে ছিল ঝুলন্ত সেতু। কিন্তু ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের ছুটিতে ঝুলন্ত সেতুতে প্রায় ১৫/১৬ হাজার পর্যটক এসেছেন। পর্যটন করপোরেশন পরিচালিত হোটেল-মোটেলগুলোর ৯০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে।’

ট্যুরিস্ট পুলিশের এএসআই মো. রেয়াজুল বলেন, ‘দেশ ও দেশের বাইরে থেকা আসা সব পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করছি। ট্যুরিস্টদের নিরাত্তার কোনও সমস্যা নেই।’

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT