গ্রেফতারের ৫ ঘণ্টা পরই রন হক সিকদারের জামিন - CTG Journal গ্রেফতারের ৫ ঘণ্টা পরই রন হক সিকদারের জামিন - CTG Journal

শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১২:৫১ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে নতুন সুপারিশ বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন ৫ লাখ মানুষ ভুগছেন কোভিড সৃষ্ট অক্সিজেন সঙ্কটে গাঁজাক্ষেত ধ্বংস, আটক ৩ হোটেল থেকে সুবর্ণজয়ন্তীর উদ্বোধন করবে বিএনপি করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রশংসা করলেন গুতেরেজ ভাল্লুকের কামড়ে আহত দুইজন মুরং উপজাতিকে হেলিকপ্টারে নিয়ে এলো সেনাবাহিনী ৪৮ ঘণ্টা পর মুক্ত বাতাসে বাংলাদেশ দল ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও সংক্রমিত হতে পারেন যে কারণে করোনাভাইরাস: দেশে ১১ মৃত্যুর দিনে শনাক্ত ৪৭০ মুশতাক আহমেদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, অপমৃত্যুর মামলা কওমি শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী ও সাধারণ শিক্ষার সুযোগ দেবে সরকার করোনার প্রভাব সুদূরপ্রসারী, পুরোপুরি সারে না ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
গ্রেফতারের ৫ ঘণ্টা পরই রন হক সিকদারের জামিন

গ্রেফতারের ৫ ঘণ্টা পরই রন হক সিকদারের জামিন

ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদারকে জামিন দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালত জামিনের আদেশ দেন। এর আগে আজ সকাল ১০টায় দেশে ফেরার পরপরই বিমানবন্দরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।

শুক্রবার দুপুরে গুলশান থানায় ওই হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তবে রন হক সিকদারকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এ সময় আসামি পক্ষের আইনজীবী কে এম ফুরকান ও শ্রী পাননাথ জামিনের আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জামিনের এ আদেশ দেন।

সম্প্রতি সিকদার গ্রুপের মালিক জয়নুল হক সিকদারের মৃত্যু হয়েছে। এ কারণে দেশে ফিরেছেন তার ছেলে রন। আজ সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে মিন্টু রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। 

গত ২৬ মে সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৭ মে ঋণের জন্য বন্ধকী সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া অভিযুক্ত দুই ভাই বিদেশি নিরাপত্তাকর্মী দিয়ে এক্সিম ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলশানের একটি বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন এবং সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়।

করোনার কারণে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই গত ২৫ মে ব্যক্তিগত জেট বিমানে ঢাকা ছেড়ে ব্যাংকক চলে যান দুই ভাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT