গণমাধ্যমে নির্বাচনী আমেজ - CTG Journal গণমাধ্যমে নির্বাচনী আমেজ - CTG Journal

সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টার্গেটে আরও দুই ডজন হেফাজত নেতা আবারও চিকিৎসক দম্পতিকে জরিমানা ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন পেয়ে কারামুক্ত ৯ হাজার আসামি লকডাউনের পঞ্চম দিনে ১০ ম্যাজিস্ট্রেটের ২৪ মামলা ওমানের সড়কে প্রাণ গেলো তিন প্রবাসীর, তারা রাঙ্গুনিয়ার বাসিন্দা একই কেন্দ্রে টিকা না নিলে সার্টিফিকেট মিলবে না মামুনুলের বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা, সহসাই মিলছে না মুক্তি ফিরতি ফ্লাইটের টিকিট পেতে সৌদি প্রবাসীদের বিশৃঙ্খলা সেরে ওঠা কোভিড রোগীদের জন্য কি ভ্যাকসিনের এক ডোজই যথেষ্ট? মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাল বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ নিরাপদ কৌশল লকডাউন: স্বাস্থ্য অধিদফতর ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী
গণমাধ্যমে নির্বাচনী আমেজ

গণমাধ্যমে নির্বাচনী আমেজ

♦ চিন্ময় মুৎসুদ্দী-

গণমাধ্যমে নির্বাচনী আমেজ এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। কয়েক মাস আগে থেকেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জল্পনা-কল্পনা আর সংসদীয় আসনের পর্যালোচনা চলছে। কোন আসনে কার কী অবস্থা, মনোনয়ন লাভে কে এগিয়ে বা কে পিছিয়ে—এসব প্রায় প্রতিদিনই একাধিক সংবাদপত্রে গুরুত্ব সহকারে আসছে। টেলিভিশনের টক শোতেও একই অবস্থা। কেমন নির্বাচন চাই, সমঝোতার রাজনীতি, বিএনপির সিদ্ধান্ত কী, আওয়ামী লীগের কৌশল ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করছেন নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি। তাঁরা প্রতিদিন এই চ্যানেল নয় তো ওই চ্যানেলে একই কথা বলছেন। এসব টক শো চর্বিতচর্বণ হলেও মাঝেমধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হয় বলে অনেক দর্শকের কাছে হয়তো আকর্ষণীয়। ভারসাম্য রক্ষার কারণেই অনেক চ্যানেল আওয়ামী লীগ-বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা বা তাদের ঘরানার বক্তা যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সাংবাদিক রাখেন নিয়মিত। কেউ কেউ মাঝেমধ্যে জাতীয় পার্টি আর বাম দলের একজন করেও ডাকেন। বাম দলের কেউ কেউ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটে আছেন। তাঁদের বক্তব্য শুনতে টিভি দর্শকরা আগ্রহী নন বলে মনে করেন টিভি কর্তৃপক্ষ, তাই হয়তো তাঁদের ডাকা হয় না। যাঁরা কোনো জোটে নেই, তাঁদের দেখা যায় টক শোতে, যেমন ওয়ার্কার্স পার্টির একাংশের সাইফুল হক, সিপিবির মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাম গণতান্ত্রিক মোর্চার জুনায়েদ সাকি প্রমুখ। পেশাজীবীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সাংবাদিকরাই প্রাধান্য পান। বাম দলের আলোচকরা দুই বড় দলের ভুলত্রুটি তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে আমরা তৃতীয় একটা মত জানতে পারি। এটাই গণমাধ্যমের এক ধরনের দায়িত্ব সচেতনতা।

জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বর ২০১৮ বা পরের বছর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে। জুন থেকেই শোরগোল বাড়বে। তফসিল ঘোষণার পর দলগুলো শুরু করবে জোর তৎপরতা। গণমাধ্যমের কাজ আরো বেড়ে যাবে। এই সময়টা গণমাধ্যমের জন্য অগ্নিপরীক্ষার সময়। দেশের নির্বাচন পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টি দিলে আমরা দেখি, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দ্বিতীয়বার টানা জয় পেলেও কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে সংসদ বাতিল করে নতুন নির্বাচন দিতে বাধ্য হয় বিএনপি সরকার। আন্দোলনের তীব্রতায় নির্বাচনী সাফল্য তারা ধরে রাখতে পারেনি। আওয়ামী লীগ ‘জনতার মঞ্চ’ তৈরি করে রাজধানীতে আন্দোলনের জনভিত্তি গড়ে তোলে। এ মঞ্চে এসে আমলাদের একটা বড় অংশ মহিউদ্দীন খান আলমগীর, ড. মশিউর রহমান, তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী প্রমুখের নেতৃত্বে যোগ দিয়ে বিএনপির নতুন সরকারের অবস্থান পুরোটাই নড়বড়ে করে দেন। বিরোধী দলের বয়কটের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই ‘ভোটারবিহীন’ নির্বাচনে বিএনপির রাজনৈতিক প্রাপ্তি শূন্য।

কিন্তু আরো ব্যাপক নির্বাচনী অসংগতি সত্ত্বেও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে টানা দ্বিতীয়বার জয় পেয়ে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কৌশল প্রয়োগ করে সরকার পরিচালনায় সফল হয়। এ নির্বাচন বয়কট করেছে প্রধান বিরোধী দল ও জোট এবং একাধিক রাজনৈতিক দল। ১৫৩ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সে হিসাবে ভোটের আগেই ফলাফল নির্ধারিত হয়ে যায়। এটিকেও বলা হয় ‘ভোটারবিহীন নির্বাচন’। নির্বাচনের আগে থেকেই আন্দোলন করে নির্বাচনের পরে এমন কোনো পরিস্থিতি বিএনপি তৈরি করতে পারেনি যে সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। এক বছর পর ২০১৫ সালে আবার টানা অবরোধ ডেকেও আওয়ামী লীগ সরকারকে কাবু করতে পারেনি বিএনপি। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে বিএনপি আন্দোলনের কোনো কর্মসূচিই আর গ্রহণ করেনি। কার্যত একটি স্থিতিশীলতা আনতে সফল হয় আওয়ামী লীগ। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, মিডিয়ার স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ার অভিযোগ উঠলেও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মাধ্যমে সেসব অভিযোগ আপাতত চাপা দিতে পেরেছে সরকার। ভারত ছাড়া জাতিসংঘসহ বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো সবার অংশগ্রহণে আবার নির্বাচনের পরামর্শ দিলেও কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক তারা স্বাভাবিক রেখেছে। অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের কথা কেউ বলেনি। তাই মধ্যবর্তী নির্বাচনের ‘ফাড়া’মুক্ত হতে পারে সরকার। এটিও আওয়ামী লীগ সরকারের একটি বড় সাফল্য।

২০১৬ সাল থেকে পরবর্তী বছরগুলোতে বিএনপি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে শুধু সংবাদ সম্মেলনের মধ্যেই তাদের কর্মধারা সীমিত রাখে। বিএনপির এমন অবস্থান তাদের দুর্বল সাংগঠনিক দিকটাই যেন স্পষ্ট করে তোলে। সরকার ও ক্ষমতাসীন দল বিষয়টি আমলে নিয়ে বিএনপিকে ক্রমাগত চাপের মধ্যে রাখে। সভা-সমাবেশ করতে না দেওয়া, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীদের যেকোনো ছুতায় গ্রেপ্তার করা, মামলা দেওয়া নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে ওঠে। পুলিশের অনুমতি নিয়ে কয়েকটি সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করলেও কোনো আন্দোলনই তারা গড়ে তুলতে পারেনি। এক জরিপে দেখা যায়, ২০১৪ সালের নির্বাচন ৭৭ শতাংশের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না (ঢাকা ট্রিবিউন, ৩ জানুয়ারি ২০১৪)। তা সত্ত্বেও আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে রাজধানীতে বড় ধরনের কোনো বিক্ষোভ বা প্রতিবাদ সমাবেশও দেখা যায়নি। তাঁদের এই অক্ষমতা জনমনে এক ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বিএনপির ওপর সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের কৌশলী চাপ বা নগ্ন চাপ অনেক সময় সাধারণ মানুষের কাছে দৃষ্টিকটু হলেও গণপ্রতিবাদের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায় না। মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে একাধিকবার ক্ষমতায় দেখেছে এবং দেখছে। বর্তমান সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের আচরণ অনেক ক্ষেত্রে পছন্দ না হলেও তারা পুরোটা আস্থা রাখতে পারছে না বিএনপির ওপর, তাদের আগের কর্মধারার কারণে।

প্রকৃতপক্ষে ১৯৯১ সাল থেকে এ পর্যন্ত দুই বড় দলের সরকার সাধারণ মানুষের জন্য খুব বেশি কিছু করেনি। মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র এবং অতি দরিদ্ররা প্রতিনিয়ত আর্থিক সংকটের মধ্যেই কাটায় তাদের জীবন। আর বর্তমান সময়টিকে রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক।

এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের গণমাধ্যম এক ধরনের ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বরাবরের মতো। আর সরকার বা সরকারি দলের অসন্তুষ্টির কোনো বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সপ্তাহে জার্মান গবেষণা ফাউন্ডেশন বাটেলসম্যান স্টিফটাং তাদের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের মান কমেছে বলে জানিয়েছে। তারা বলেছে, ১৩টি দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি দেশে গণতন্ত্রের মান সবচেয়ে কমেছে। বাংলাদেশ ছাড়া অন্য চারটি দেশ হলো লেবানন, মোজাম্বিক, নিকারাগুয়া ও উগান্ডা। অবশ্য এ প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশ ভিত্তিহীন, অবাস্তব ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে এটি প্রত্যাখ্যান করে বক্তব্য দিয়েছেন মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। এ প্রেক্ষাপটে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বাংলাদেশে একদলীয় শাসন কায়েম হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। গণমাধ্যম উভয় পক্ষের বক্তৃতা প্রকাশ করে তাদের ভূমিকা পালন করছে। নিজস্ব কোনো অনুসন্ধান বা মন্তব্য নেই। এটা এক ধরনের ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা।

২০০১ সালের নির্বাচনে গণমাধ্যম বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা করেছে দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া। নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের মিডিয়া বিশ্লেষণ রিপোর্টেও সে দিকটি স্পষ্ট ছিল। একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সময়টাতে গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে অনেকটাই। করপোরেট পুঁজি আর বড় ব্যবসায়ীরা এখন প্রধান স্রোতের গণমাধ্যমের মালিকানায় রয়েছেন। তাঁদের অন্যান্য ব্যবসায়ের সহযোগী হিসেবেই তাঁরা গণমাধ্যমের ব্যবহার নিশ্চিত করতে চান। এ কারণেই দুই বড় দলের একটা ভারসাম্য রক্ষা করে এসব গণমাধ্যম। ক্ষমতার পালাবদলে দুই দলেরই সম্ভাবনা থাকে রাষ্ট্রের কর্ণধার হওয়ার। প্রধান দুই দলের কোনোটিকে তাই এসব গণমাধ্যম ক্ষুব্ধ করতে চায় না।

গণমাধ্যমের নীতিহীনতায় সাম্প্রতিক সংযোজন পেইড নিউজ। এর মাত্রা বেড়ে যায় জনপ্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের সময়। জাতীয় নির্বাচনে সে মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। পেইড নিউজ মূলত অর্থের বিনিময়ে প্রার্থীদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে ইতিবাচক রিপোর্ট তৈরি করে। এতে বিভ্রান্ত হন ভোটাররা। পেইড নিউজ পাঠকের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। মাঠপর্যায়ে এর বিস্তৃতি বলে প্রধান কার্যালয়ে এ নিয়ে মাথাব্যথা কম। তবে পেইড নিউজের বিষয়ে সংবাদপত্র ও টিভি কর্তৃপক্ষের এখন থেকেই সজাগ হওয়া জরুরি। নির্বাচন কমিশনও পেইড নিউজ বন্ধ করার প্রয়োজনে গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এ বিষয়ে আইন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

২০০৯ সালে ভারতের সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার সে সময়ের লোকসভা নির্বাচনের সময় পেইড নিউজের সমালোচনা করে ভারতের গণমাধ্যমের ভূমিকা লজ্জাকর বলে হতাশা ব্যক্ত করেছিলেন। এক সেমিনারে ওঠা এমন অভিযোগের বিষয়ে ভারতের টিভি ও সংবাদপত্রে একটি শব্দও দেখা যায়নি। সেদিক থেকে বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখনো অনেকটা এগিয়ে। গণমাধ্যমের সমালোচনামূলক বক্তৃতা, নিবন্ধ, কলাম প্রকাশ করতে দ্বিধা করে না আমাদের সংবাদপত্র।

নির্বাচনের প্রার্থীদের সঠিক তথ্য ভোটারের কাছে তুলে ধরাই হলো গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব।

বরাবরের মতো এবারও প্রাক-নির্বাচনী একটা জরিপ হতে পারে, দেশব্যাপী কিংবা রাজধানীতে। নির্বাচনের নানা বিষয়ে ভোটারদের প্রত্যাশা জানা যাবে এ রকম জরিপে। ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১-এর নির্বাচনের প্রাক্কালে এ রকম জরিপ থেকে নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে কিছুটা আভাস পাওয়া গিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে এ রকম প্রাক-নির্বাচনী জরিপের ফলাফল যথার্থ হয়নি। এ জন্য কেউ কেউ জরিপের পদ্ধতিগত ত্রুটির কথা বলেছেন। কারো কারো মতামত হলো, ভোটাররা তাঁদের মনের কথা বলেন না অনেক সময়। আবার জরিপে দেওয়া মতামত পাল্টে ফেলেন নির্বাচন ঘনিয়ে আসার পর।

লেখাটা শেষ করি গত কয়েক দিনে ঢাকা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি দৈনিকের কিছু সংবাদ উদ্ধৃত করে।

প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই নির্বাচন হবে—আইনমন্ত্রী (ইত্তেফাক, ২৯ মার্চ ২০১৮, পৃ. ১৯)

পুনরুদ্ধারে অনড় জাতীয় পার্টি/জয় ধরে রাখতে চায় আ’লীগ (যুগান্তর, ২৯ মার্চ ২০১৮, পৃ. ২০)

জাতীয় নির্বাচন/পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে আ’লীগ (সংবাদ, ২৯ মার্চ ২০১৮, পৃ. ১)

ভোটের হাওয়া/কুমিল্লা-১১/একক প্রার্থী আওয়ামী লীগে/কৌশলী বিএনপি-জামাত (সমকাল, ২৯ মার্চ ২০১৮, পৃ. ২০)

কালের কণ্ঠ’কে গুতেরেসের মুখপাত্র/বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায় জাতিসংঘ (কালের কণ্ঠ, ২৯ মার্চ ২০১৮, পৃ. ১)

বিরোধীরা কব্জায়, নিজেরা ঠেলাঠেলিতে/আওয়ামী লীগের রাজনীতি (প্রথম আলো, ২৮ মার্চ ২০১৮, পৃ. ১)

Next JS Polls/BNP demands non-partisan, neutral govt (The daily Star, ২৮ মার্চ ২০১৮, পৃ. ১)

Poll-time govt with parties in JS (The Independent, ২৯ মার্চ ২০১৮, পৃ. ১৬)

এসবই তো ভারসাম্যের স্পষ্ট উদাহরণ।

 

লেখক : সাংবাদিক, মিডিয়া বিশ্লেষক

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT