করোনা দুর্যোগেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড - CTG Journal করোনা দুর্যোগেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড - CTG Journal

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
দিনে সাইকেল চুরি, রাতে ইয়াবা বিক্রি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তিন পরামর্শ ১৯ দিনে জামিনে মুক্ত ৩৩ হাজার কারাবন্দি ফেসবুক কি শুনতে পায়, কীভাবে নজরদারি করে? পানছড়িতে ভেস্তে যাচ্ছে এলজিইডি’র ১ কোটি ৬২ লাখ টাকার তীর রক্ষা প্রকল্প: মরে যাচ্ছে ঘাস, তীরে ধরেছে ফাটল খালেদা জিয়ার বিদেশযাত্রা নিয়ে নতুন হিসাব-নিকাশ চীনা রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যে বিস্মিত কূটনীতিকরা বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় কাপ্তাইয়ে বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল চৈতন্য গলির জুয়ার আস্তানায় পুলিশের হানা, আটক ১৪ সীমান্ত এলাকায় ব্যাপকহারে করোনা টেস্টের নির্দেশ রাউজানে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
করোনা দুর্যোগেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড

করোনা দুর্যোগেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড

মহামারি করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড হয়েছে। প্রবাসীরা চলতি এপ্রিল মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। মাসের প্রথম ১৫ দিনে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, তা গত বছরের পুরো এপ্রিল মাসের চেয়েও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ধারণা, এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাস শেষে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাবে বাংলাদেশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, প্রবাসীরা এই মাসের প্রথম ১৫ দিনে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১১৫ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। গত বছর (২০২০ সাল) এপ্রিলের পুরো মাসে (৩০ দিনে) রেমিট্যান্স এসেছিল ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার। সেই হিসাবে ১৫ দিনেই পুরো মাসের চেয়ে ৬ কোটি ৩ লাখ ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

প্রবাসী আয়ের এ গতি অব্যাহত থাকলে চলতি এপ্রিল মাস শেষে রেমিট্যান্স আহরণ ২৩০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী সাইদুর রহমান বলেন, এপ্রিল মাস রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে রেকর্ড হবে। প্রবাসীরা যেভাবে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, তাতে এই মাস শেষে ২৩০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ঈদকে সামনে রেখে প্রবাসীরা বেশি বেশি রেমিটেন্স পাঠাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ঈদের আগে প্রবাসীরা দেশে বেশি অর্থ পাঠান। সামনে ঈদ-উল-ফিতর। ঈদ উপলক্ষে মাসের বাকি দিনগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে।

এর আগে, করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে গত বছরের জুলাই‌ মাসে মাইলফলক রে‌মিট্যান্স পায় বাংলাদেশ। ওই মাসে প্রবাসীরা প্রায় ২৬০ কোটি ডলার রে‌মিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। এর আগে কোনও একক মাসে এত রে‌মিট্যান্স আসেনি।

এদিকে ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার কারণে উন্নত দেশ থেকেও আয় আসা বেড়েছে। এছাড়া বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন, এমন অনেক দেশ এখনও লকডাউন হয়নি। আবার লকডাউন হলেও পরিবার চালাতে ঋণ করে হলেও অনেকে টাকা পাঠাচ্ছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মার্চে মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ১৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। সব মিলে চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৮৬০ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৮২ কোটি ৯১ লাখ ডলার বা ৩৫.০৫ শতাংশ বেশি।

গত অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৩৭৭ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। অবশ্য গত অর্থবছরের পুরো সময়ে এসেছিল এক হাজার ৮২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ কোনও প্রবাসী ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে আরও ২ টাকা যোগ করে মোট ১০২ টাকা পাচ্ছেন সুবিধাভোগী। এছাড়া ঈদ ও উৎসবে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সকারের প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি এক শতাংশ দেওয়ার অফার দিচ্ছে। এতে করে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন প্রবাসীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT