এমপি মিজানুর রহমান ও কামরুল আশরাফ খানকে দুদকে তলব - CTG Journal এমপি মিজানুর রহমান ও কামরুল আশরাফ খানকে দুদকে তলব - CTG Journal

রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৬:১১ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
মামুনুল গ্রেপ্তারের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার থানচিতে আফিমসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক করোনায় আক্রান্তরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন: আইইডিসিআর করোনা চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গঠন করুন: জাফরুল্লাহ হেফাজত নেতা মাওলানা আজিজুল ৭ দিনের রিমান্ডে মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাউল কালোবাজারে! নিন্মমানের পচা ও র্দুগন্ধযুক্ত সিদ্ধ চাউল বিতরণে ক্ষোভ ২১২টি পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ বেড নিয়ে চালু হলো দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল এলোমেলো হেফাজত, এখনই ‘কর্মসূচি নয়’ ২৪ ঘণ্টায় ১০২ মৃত্যুর রেকর্ড হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব রিমান্ডে করোনা পজিটিভ হওয়ার একদিনের মধ্যেই কারাবন্দির মৃত্যু যেভাবে গ্রেফতার হলেন মামুনুল হক
এমপি মিজানুর রহমান ও কামরুল আশরাফ খানকে দুদকে তলব

এমপি মিজানুর রহমান ও কামরুল আশরাফ খানকে দুদকে তলব

ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পদ অর্জন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই সংসদ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রধান কার্যালয়ে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তারা হলেন আওয়ামী লীগের দলীয় সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান (খুলনা-২) ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য0 কামরুল আশরাফ খান (নরসিংদি-২)। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্যা এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আজকে এই দুই সংসদ সদস্যকে চিঠি পাঠানো হযেছে। কামরুল আশরাফ খানকে ১১ এপ্রিল ও মিজানুর রহমানকে ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টায় দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
দুদক কর্মকর্তা মো. একরামুল রেজা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কামরুল আশরাফ সার পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থেকে অবৈধভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়ার নাম করে আর পৌঁছে দেননি। পরবর্তী সময়ে এগুলো বিক্রি করে দেয় অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছেন। এই অর্থের ভাগ সরকারি লোকজনকেও দেওয়া হয়। এই অবৈধ অর্থ দিয়ে বাড়ি গাড়িসহ প্রচুর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগ আসার পর প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।’
খুলনা-২-এর সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজানকে দুদকে উপপরিচালক মঞ্জুর মোরশদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে খুলনা সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি কাজ নিজ পরিবারের সদস্যদের দিয়ে করিয়েছেন। নামমাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া মাদক ব্যবসা করে শত শত কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT