এমপি পাপুলের স্ত্রী-কন্যার জামিন আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি জালিয়াতি, তদন্তের নির্দেশ - CTG Journal এমপি পাপুলের স্ত্রী-কন্যার জামিন আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি জালিয়াতি, তদন্তের নির্দেশ - CTG Journal

রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
এক রাতে মিললো ১২ কোটি টাকার ইয়াবা ‘ওয়াজ-মাহফিলের নামে জাতিকে ঈমানহারা করছেন তাহেরী’ মানিকছড়িতে দুগ্ধগাভী পেলেন অভিভাবকহীন শিশু-কিশোর পরিবার নিবন্ধন ৪৯ লাখ, টিকা নিয়েছেন ৩৬ লাখের বেশি মানুষ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে ভারত ‘খুশি’ এক বা দুই ডোজ যা-ই হোক, সহজলভ্য ভ্যাকসিন গ্রহণের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের ফেনীতে একটি ভবনে বিস্ফোরণে মা ও দুই মেয়ে দগ্ধ বেরোবি’র বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয়েছে: ইউজিসি রোজার আগেই ‘মাঠে নামবে’ গণফোরাম করোনাভাইরাস: দেশে আরও ১০ মৃত্যু, শনাক্ত ৫৪০ সংশোধন নয়, ২৬ মার্চের আগেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন: জাফরুল্লাহ চৌধুরী চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত আরও ৯২ জন
এমপি পাপুলের স্ত্রী-কন্যার জামিন আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি জালিয়াতি, তদন্তের নির্দেশ

এমপি পাপুলের স্ত্রী-কন্যার জামিন আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি জালিয়াতি, তদন্তের নির্দেশ

দুই মাসের মধ্যে এ তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।কাজী পাপুল। ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে কারাবন্দি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী-কন্যার জামিন আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার নথি জালিয়াতি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

দুই মাসের মধ্যে এ তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। জামিন আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

খুরশীদ আলম বলেন, আগাম জামিন আবেদনে নথি জালিয়াতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুই মাসের মধ্যে দুদক সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম ও তার মেয়ে ওয়াফা ইসলাম এবং তদবিরকারক হাফেজ আহমেদসহ সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রতিবেদন দেবেন।

২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকার অর্থ পাচারের অভিযোগে শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী, কন্যা ও শ্যালিকার বিরুদ্ধে গত বছর ১১ নভেম্বর মামলা করে দুদক। এ মামলায় গত বছরের ২৬ নভেম্বর তারা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন।

এর মধ্যে পাপুলের স্ত্রী ও মেয়ের আবেদনের শুনানি নিয়ে তাদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। তবে তাদের আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নথি জমা দেওয়া হয়। যেখানে বলা হয়, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের একটি শাখায় হিসাবে অর্থ পাচারের সংঘটিত হতে পারে মর্মে প্রতীয়মান হয়নি।

বিষয়টি আদালতের নজরে আসায় ওই নথিতে স্বাক্ষরকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক মো. আরেফিন আহসান মিঞাকে তলব করে সুয়োমোটো রুল জারি করেন। তিনি হাজির হয়ে বলেন, এ নথিতে টেম্পার্ড করা হয়েছে।

তবে পাপুলের স্ত্রী-কন্যার আইনজীবীর দাবি এ নথি এনআরবি ব্যাংক তাদের সরবরাহ করেছে।

এরপর আদালত এনআরবি ব্যাংকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান। ১২ জানুয়ারি এনআরবি ব্যাংক জানায়, তারা এ ধরনের নথি দেয়নি। এরপর আদালত এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সব নথি তলব করেন। এ আদেশ অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংক নথি দাখিল করেন।

নথি উপস্থাপন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী আদালতে বলেন, জামিন আবেদনে দেওয়া নথির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথির মিল নেই। জামিন আবেদনে যা দাখিল করা হয়েছে, তা জালিয়াতি হয়েছে। এর সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, তার তদন্ত হওয়া দরকার।

শুনানিতে জামিন আবেদনকারীর আইনজীবীও বলেন, ওই নথি যদি জালিয়াতি হয়ে থাকে, তবে এর সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা তদন্ত হওয়া দরকার।

শুনানি শেষে আদালত ১১ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। সে অনুসারে বৃহস্পতিবার রায় দেন হাইকোর্ট।

বলে রাখা ভালো, গত বছর ৬ জুন কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) শহিদ ইসলাম পাপুলকে কুয়েতে গ্রেফতার করে। কুয়েত সিআইডি তার বিরুদ্ধে সেখানে মানবপাচার ও অর্থপাচারের মামলা করেছে। সে মামলায় চার বছরের সাজা হয় পাপুলের। তিনি এখন কুয়েতে কারাবন্দি।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT