উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যা: কানাডা - CTG Journal উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যা: কানাডা - CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
কারাগারে কয়েদিকে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা, পিবিআই’কে তদন্তের নির্দেশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিললো তিন কোটি টাকার ‘আইস’ বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব কোভিড-১৯: আরও ৭ মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৯ ১০ মাস পর কার্টুনিস্ট কিশোরের কারামুক্তি গোপালগঞ্জ ও বরিশাল সফর করতে পারেন নরেন্দ্র মোদি কাপ্তাই হ্রদে অজ্ঞাত যুবকের লাশ, পকেটে মিলল টাকা ও মোবাইল আসামির নাম জামাল, গ্রেফতার হলেন কামাল! করোনা পারে নাই, আর কেউ অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রেসক্লাবের সামনে যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ নতুন করে শনাক্ত বাড়ছে কেন? ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে যৌন হয়রানি: খাগড়াছড়ির শিক্ষককে ঢাকায় গ্রেফতার
উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যা: কানাডা

উইঘুরদের সঙ্গে চীনের আচরণ গণহত্যা: কানাডা

সংখ্যালঘু উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপর চীনের আচরণকে গণগত্যা হিসেবে ঘোষণা করেছে কানাডার হাউজ অব কমন্স। সোমবার দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে ২৬৬-০ ভোটের বিপুল ব্যবধানে এই ঘোষণা পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা ভোট দানে বিরত থাকলেও ক্ষমতাসীন লিবারাল পার্টির আইনপ্রণেতাদের বড় একটি অংশ এবং সকল বিরোধী দলগুলো এই ঘোষণার পক্ষে ভোট দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে চীন সরকারের আচরণকে গণহত্যা আখ্যা দিলো কানাডা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

চীনে প্রায় দেড় কোটি উইঘুর মুসলমানের বাস। জিনজিয়াং প্রদেশের জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশই উইঘুর মুসলিম। এই প্রদেশটি তিব্বতের মতো স্বশাসিত একটি অঞ্চল। বিদেশি মিডিয়ার সেখানে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু গত বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সূত্রে খবর আসছে, সেখানে বসবাসরত উইঘুরসহ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ওপর ব্যাপক নিপীড়ন চালাচ্ছে বেইজিং। চীন বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

চীন সরকারের আচরণকে গণহত্যা আখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি কানাডার আইনপ্রণেতারা একটি সংশোধনীর পক্ষেও ভোট দেন। তাতে বলা হয়েছে ‘চীনযদি গণহত্যা চালিয়ে যায়’ তাহলে ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক বেইজিং থেকে সরিয়ে নিতে কানাডা যেন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিকে আহ্বান জানায়।

এর আগে উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণকে গণহত্যা আখ্যা দিতে দ্বিধাগ্রস্থ ছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। বারবার বলেছেন, কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সেখানকার পরিস্থিতি আরও খতিয়ে দেখা দরকার। সোমবারের ভোটাভুটির সময় মন্ত্রিসভার একমাত্র সদস্য হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক গার্নাও পার্লামেন্টে উপস্থিত ছিলেন।

ভোটাভুটির আগে বিরোধী দলীয় নেতা এরিন ও’টুল বলেন,’মানবাধিকার ও মানবাধিকারের মর্যাদার পক্ষে থাকার পরিষ্কার ও দ্ব্যর্থহীন বার্তা দেয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি এমনকি যদি এর কারণে কিছু অর্থনৈতিক সুযোগ হারাই তবুও।’

ভোটাভুটির আগে কানাডায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত কং পেইউ বলেন, কানাডার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ‘চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে’।তিনি বলেন, ‘আমরা এত তীব্র বিরোধিতা করছি কারণ এটি সত্য নয়। জিনজিয়াংয়ে গণহত্যা ধরণের কিছুই ঘটছে না।’

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT