ইউটিউব কার্যালয়ে হামলার পর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সরব হচ্ছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা - CTG Journal ইউটিউব কার্যালয়ে হামলার পর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সরব হচ্ছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা - CTG Journal

সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টার্গেটে আরও দুই ডজন হেফাজত নেতা আবারও চিকিৎসক দম্পতিকে জরিমানা ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন পেয়ে কারামুক্ত ৯ হাজার আসামি লকডাউনের পঞ্চম দিনে ১০ ম্যাজিস্ট্রেটের ২৪ মামলা ওমানের সড়কে প্রাণ গেলো তিন প্রবাসীর, তারা রাঙ্গুনিয়ার বাসিন্দা একই কেন্দ্রে টিকা না নিলে সার্টিফিকেট মিলবে না মামুনুলের বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা, সহসাই মিলছে না মুক্তি ফিরতি ফ্লাইটের টিকিট পেতে সৌদি প্রবাসীদের বিশৃঙ্খলা সেরে ওঠা কোভিড রোগীদের জন্য কি ভ্যাকসিনের এক ডোজই যথেষ্ট? মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাল বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ নিরাপদ কৌশল লকডাউন: স্বাস্থ্য অধিদফতর ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী
ইউটিউব কার্যালয়ে হামলার পর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সরব হচ্ছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা

ইউটিউব কার্যালয়ে হামলার পর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সরব হচ্ছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা

প্রথমবারের মতো অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে সরব হতে শুরু করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা। সান ব্রুনোয় ওই হামলার পর অন্তত শীর্ষ তিনটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে কথা বলেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সমলিঙ্গের বিয়ের বৈধতার মতো ইস্যুতে কথা বললেও আগে কখনও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে কথা বলেনি। বার্তা সংস্থাটি বলছে, সামনের দিনগুলোতে সিলিকন ভ্যালির অন্যান্য  শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর এই তৎপরতায় যোগ দিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে নিজেরা আক্রান্ত হওয়ার পরও ইউটিউব ও তাদের মূল প্রতিষ্ঠান গুগল এখন পর্যন্ত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবি তোলেনি। হামলার নিন্দা জানিয়ে হতাহতদের প্রতি শোক জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

গত মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি স্কুলে বন্দুকধারীর গুলিতে ১৭ জনের প্রাণহানির পর যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে আবারও জোরালো হয়েছে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবি। এই দাবিতে গত মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুল শিক্ষার্থীদের আয়োজনে রাজপথে নামে কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ। সমালোচকদের দাবি, লবিস্ট গ্রুপের জোরালো প্রচেষ্টার কারণে বারবার থেমে যায় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করবার প্রচেষ্টা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে ইউটিউব সদর দফতর  আক্রান্ত হয়। নিজেকে হত্যার আগে এক নারী গুলি চালিয়ে আরও তিনজনকে আহত করেন। এরপর প্রথমবারের মতো অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সরব হয়েছেন শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

টুইটার ও স্কয়ার ইনকর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জ্যাক ডরসি ওই হামলার পরই টুইটারে বার্তা শেয়ার করেন। তিনি লেখেন, ‘আমরা প্রতিক্রিয়াশীল না হয়ে থাকতে পারি না, চিন্তায় আর প্রার্থনায় থাকে যেন আর কখনও আবার আমাদের স্কুল, কাজের জায়গা আর সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো ডেন আক্রান্ত না হয়। সময় হয়েছে আমাদের নীতিতে পরিবর্তন আনার।’

ডরসির পরই টুইটারে একই দাবিতে সরব হন উবার টেকনোলোজিস ইনকর্পোরেশনের সিইও দারা খোসরোশাহী ও বক্স ইনকর্পোরেশনের সিইও আরোন লেভি। মঙ্গলবারের গুলির ঘটনার পর পর্যায়ক্রমে এন্ড গান ভায়োলেন্স ও নেভারএগেইন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে টু্ইট করেন তারা। এই হ্যাশট্যাগ দুটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

খোসরোশাহী এন্ড গান ভায়োলেন্স হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে লেখেন, উবার টিমের পক্ষ থেকে ইউটিউব ও গুগলের সবার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এই ঘটনায় প্রথমেই যারা বীরোচিত সাড়া দিয়েছিলেন তাদের প্রতি। আরও একটা ট্রাজেডি। যা আমাদের এন্ড গান ভায়োলেন্স এর দিকেই ঠেলে দেয়।

লেভি তার টুইটে নেভার এগেইন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে লেখেন, ইউটিউবে গুলির ঘটনায় প্রচন্ড শোক পেয়েছি। গুগলের বন্ধু ও তাদের প্রতি সমবেদনা।

রয়টার্স লিখেছে, শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর এই তৎপরতার মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে আসন্ন দিনগুলোতে আরও কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এতে ভূমিকা রাখবে।

তবে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে কোনও কথা না বললেও গুলির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই ও ইউটিউবের প্রধান নির্বাহী সুসান ওজসিকি। টুইটারে তিনি লেখেন, ইউটিউবে আজ একজন সশস্ত্র বন্দুকধারীর আক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর ছিল তা বর্ণনা করার ভাষা নেই। সাড়া দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা। যারা আক্রান্ত ও আহত হয়েছেন তাদের প্রতি সমবেদনা। একই পরিবারের সদস্য হিসেবে এই যন্ত্রণা আমরা কাটিয়ে উঠবো।

ঘটনার পর ইউটিউবের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছেন অন্য শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও। অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের সিইও টিম কুক, আমাজন.কম ইনকর্পোরেশনের সিইও জেফ বেজোস, সেলসফোর্স.কম ইনকর্পোরেশনের সিইও মার্ক বেনিয়োফ ও ফেসবুক ইনকর্পোরেশনের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সেরিল স্যান্ডবার্গ রয়েছেন এই তালিকায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT