আন্দামানে ভাসমান রোহিঙ্গাদের নিতে রাজি না বাংলাদেশ - CTG Journal আন্দামানে ভাসমান রোহিঙ্গাদের নিতে রাজি না বাংলাদেশ - CTG Journal

বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
কাদের মির্জার ভাই ও ছেলেসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডব: আরও ৭ গ্রেফতার সমঝোতা নয় হেফাজতকে শক্তভাবে দমনের দাবি লকডাউনে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ চলবে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট লোহাগাড়ায় একদিনেই ৩৩ জনকে জরিমানা তথ্যপ্রযুক্তি আইনে নুরের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ৬ জুন সালথা তাণ্ডব: সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রেফতার বাঁশখালীতে ‘শ্রমিকরাই শ্রমিকদের গুলি করে হত্যা করেছে’! প্রাথমিক শিক্ষকদের আইডি কার্ড দেওয়ার আশ্বাস ‘নারী চিকিৎসকের প্রতি পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটের অসৌজন্যমূলক আচরণ দেখা যায়নি’ চুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ২৪ এপ্রিল মিকনকে ক্রসফায়ারে দেওয়া হবে: কাদের মির্জা
আন্দামানে ভাসমান রোহিঙ্গাদের নিতে রাজি না বাংলাদেশ

আন্দামানে ভাসমান রোহিঙ্গাদের নিতে রাজি না বাংলাদেশ

আন্দামান সাগরে ভাসমান রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাংলাদেশ রাজি নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। শনিবার (১৩ মার্চ) সাংবাদিকদের তিনি জানান, ওই রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে ১,৭০০ কিলোমিটার দূরে এবং ভারত থেকে ১৪৭ কিলোমিটার ও মিয়ানমার থেকে ৩২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী (এস জয়শঙ্কর) তুলেছিলেন। উনি আসার আগে থেকে আমি বলাবলি করছি যে এটা আমাদের গ্রহণ করার কোনও যুক্তিযুক্ত কারণ নেই। কারণ তাদেরকে ১,৭০০ কিলোমিটার দূরে পাওয়া গেছে। এরা যে জাহাজে ছিল সেটি আমাদের দেশের না, সেটি থাইল্যান্ডের জাহাজ।’

রোহিঙ্গারা ভারতের আন্দামান ও নিকোবর থেকে ১৪৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থানের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের আইন হচ্ছে নিকটনর্তী যে দেশ তাদের দায়িত্ব দুর্যোগ থেকে উদ্ধার করা। সেইদিক থেকে নিকটবর্তী হচ্ছে ভারত। তবে এরা মিয়ানমারের লোক এবং ওই জায়গা থেকে মিয়ানমার ৩২৪ কিলোমিটার দূরে। সুতরাং এটি মিয়ানমারের এক নম্বর দায়িত্ব কারণ এরা ওই দেশের নাগরিক। এরপর হচ্ছে যে দেশটি সবচেয়ে কাছে আছে। সেইদিক থেকে আসছে ভারতের নাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই রোহিঙ্গাদের অনেকের কাছে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার কার্ড আছে। এটি খুব তাজ্জব যে এদের যখন সাগরে পাওয়া যায় তখন তাদের খাবার থাকে না, পানি থাকে না, কিন্তু আইডি কার্ড থাকে। জাতিসংঘ যদি তাদের আইডি কার্ড দিয়ে থাকে তবে এটি তাদের দায়িত্ব রোহিঙ্গাদের দেখভাল করা।’

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT