বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
অর্ধেক টিআইএনধারী রিটার্ন জমা দেননি

অর্ধেক টিআইএনধারী রিটার্ন জমা দেননি

গতবারের চেয়ে এবার ৩৬ শতাংশ বেশি করদাতা তাঁদের বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দিয়েছেন। এবার ব্যক্তিশ্রেণি পর্যায়ে ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬১৬ জন কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) রিটার্ন জমা দেন। রিটার্ন জমা দিয়ে তাঁরা আয়কর দেন ৪ হাজার ২৮১ কোটি ৩২ লাখ টাকা।
বর্তমানে দেশে টিআইএনধারী আছেন ৩২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৫৪ জন। সেই হিসাবে, এবার রিটার্ন জমা দিয়েছেন মাত্র ৪৮ শতাংশ। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি টিআইএনধারী বছর শেষে তাঁদের রিটার্ন জমা দেননি। যদিও সব টিআইএনধারীর রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক নয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। গত ৩০ নভেম্বর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে। বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আয়কর বিবরণীই এবার জমা দেওয়া হয়েছে।
এবার রিটার্ন জমা যেমন বেড়েছে, তেমনি কর আদায়ও বেড়েছে। এবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬১৬ জন টিআইএনধারী রিটার্ন জমা দেন। এ ছাড়া ২ লাখ ৭৯ হাজার ৬২৬ জন রিটার্ন জমার জন্য সময় চেয়েছেন। বিভিন্ন কারণে এসব টিআইএনধারী নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা দিতে পারেননি। তাঁরা রিটার্ন জমা দিলে সব মিলিয়ে রিটার্ন জমাকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৮ লাখ ৩৬ হাজার ২৪২-এ। অতীতের যেকোনো বছরের তুলনায় এটি রেকর্ড।
গত অর্থবছরে নির্ধারিত সময়ে ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৯৭ জন রিটার্ন দিয়ে ৩ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা কর দিয়েছিলেন। গতবারের চেয়ে এবার ৪ লাখ ১২ হাজারের বেশি করদাতা রিটার্ন জমা দিয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে গতবারের চেয়ে এবার ২৮ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।
এবার রিটার্ন জমার সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো, বেসরকারি চাকরিজীবীদের রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা রিটার্ন জমা না দিলে ওই প্রতিষ্ঠানের ওই কর্মীর বেতনভাতা খরচ হিসাবে দেখানো যাবে না।
অন্যবারের মতো এবারও শেষ সময়ে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য কর কার্যালয়ে ছিল করদাতাদের বেশ ভিড়। এ জন্য অবশ্য ২৪ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিটি কর কার্যালয়ে কর সপ্তাহ পালন করা হয়। এই সময়ে প্রতিটি কর কার্যালয়ে করদাতাদের কর মেলার যাবতীয় সব সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ বছর শেষ সাত দিনে ৬ লাখ ৬০ হাজার টিআইএনধারী রিটার্ন দিয়েছেন। রাজস্ব আদায় হয়েছে পৌনে নয় শ কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT