অটোরিকশা চালককে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন - CTG Journal অটোরিকশা চালককে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন - CTG Journal

মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
অবৈধ বাংলাদেশিদের চাকরির বিষয়ে বিবেচনা করছে সৌদি আরব শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দেবে সরকার, আবেদনের নির্দেশ ঢাবিতে ভর্তির আবেদনপত্র জমা শুরু, পরীক্ষা ২১ মে থেকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির শিকার নারীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় ৯ জনের ফাঁসি অদম্য মনোবল ও ইচ্ছা শক্তিতে ওরা আজ মানিকছড়ি’র সফল নারী উদ্যোক্তা ঢাকায় পরিকল্পনা করে জেলায় জেলায় সংঘবদ্ধ চুরি বায়েজিদে ইমন হত্যায় ৬ জন আটক রামগড়ে পরিকল্পিত পরিবার গঠন বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত গুমোট গরম, শিলাবৃষ্টির শঙ্কা অধিকারটা আদায় করে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে মহামারির এক বছর: প্রাণ গেল ৮ হাজার ৪৭৬ জনের
অটোরিকশা চালককে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

অটোরিকশা চালককে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় সিএনজি অটোরিকশা চালক মুলকত আহমদ কালা মিয়া হত্যা মামলায় তিন আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্ নেছা এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৬ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি হাফেজ আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলো– হুমায়ুন হাসান রাকিব, আবদুর রহমান মানিক ও আবু তৈয়ব বাবলু। একই সঙ্গে তাদের ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সুমন চন্দ্র রায়। তাকেও ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি একই আদালত রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরশুরাম থেকে সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে মুন্সিরহাটের উদ্দেশে রওয়ানা হন মুলকত আহমদ কালা মিয়া। রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাত ৩টার দিকে জগতপুর রোডের টুক্কু মিয়ার পুলের পশ্চিম পাশে পানি থেকে মুলকতের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বড় ভাই ফখরুল আহমদ মজুমদার বাদী হয়ে ফুলগাজী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন ওসি সৈয়দুল মোস্তফা ২০১১ সালের ২৮ মে আদালতে ২০ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ২০১২ সালের ২৫ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার কাজ শুরু করেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১৫ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT