অটোরিকশা চালককে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন - CTG Journal অটোরিকশা চালককে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন - CTG Journal

শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
বায়েজিদে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা কওমি মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৫ সদস্যের কমিটি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা থানচিতে নও মুসলিম ফারুক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ পুলিশ পরিচয়ে বড় ভাইয়ের সামনে থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে নির্যাতন বান্দরবানের নও-মুসলিম হত্যার প্রতিবাদে পানছড়িতে মানববন্ধন গরিব মরলেও আ.লীগের কিছু যায় আসে না: মান্না বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন- ডা. শাহাদাত এইচএসসির ফরম পূরণ ২৯ জুন থেকে শুরু স্থিতিশীল বঙ্গোপসাগর-ভারত মহাসাগর দেখতে চায় বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১০৮ জনের ভূমধ্যসাগরে ভাসমান অবস্থায় ইউরোপগামী ২৬৪ বাংলাদেশি উদ্ধার
অটোরিকশা চালককে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

অটোরিকশা চালককে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় সিএনজি অটোরিকশা চালক মুলকত আহমদ কালা মিয়া হত্যা মামলায় তিন আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্ নেছা এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৬ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি হাফেজ আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলো– হুমায়ুন হাসান রাকিব, আবদুর রহমান মানিক ও আবু তৈয়ব বাবলু। একই সঙ্গে তাদের ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সুমন চন্দ্র রায়। তাকেও ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি একই আদালত রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরশুরাম থেকে সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে মুন্সিরহাটের উদ্দেশে রওয়ানা হন মুলকত আহমদ কালা মিয়া। রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাত ৩টার দিকে জগতপুর রোডের টুক্কু মিয়ার পুলের পশ্চিম পাশে পানি থেকে মুলকতের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বড় ভাই ফখরুল আহমদ মজুমদার বাদী হয়ে ফুলগাজী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন ওসি সৈয়দুল মোস্তফা ২০১১ সালের ২৮ মে আদালতে ২০ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ২০১২ সালের ২৫ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার কাজ শুরু করেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১৫ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT