অক্সিজেন সংকট রোধে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান - CTG Journal অক্সিজেন সংকট রোধে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান - CTG Journal

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
দিনে সাইকেল চুরি, রাতে ইয়াবা বিক্রি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তিন পরামর্শ ১৯ দিনে জামিনে মুক্ত ৩৩ হাজার কারাবন্দি ফেসবুক কি শুনতে পায়, কীভাবে নজরদারি করে? পানছড়িতে ভেস্তে যাচ্ছে এলজিইডি’র ১ কোটি ৬২ লাখ টাকার তীর রক্ষা প্রকল্প: মরে যাচ্ছে ঘাস, তীরে ধরেছে ফাটল খালেদা জিয়ার বিদেশযাত্রা নিয়ে নতুন হিসাব-নিকাশ চীনা রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যে বিস্মিত কূটনীতিকরা বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় কাপ্তাইয়ে বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল চৈতন্য গলির জুয়ার আস্তানায় পুলিশের হানা, আটক ১৪ সীমান্ত এলাকায় ব্যাপকহারে করোনা টেস্টের নির্দেশ রাউজানে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
অক্সিজেন সংকট রোধে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

অক্সিজেন সংকট রোধে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

পাশের দেশ ভারতের সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতি। আর বাংলাদেশ ভারতের প্রতিবেশী দেশ। বর্তমানে দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিম্নমুখী হলেও ভারতের কারণে পরিস্থিতির অবনতির কথা জানিয়ে অক্সিজেন সংকট রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ সরকারকে সার্বিক প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। বুধবার রাতে (৮ এপ্রিল) কারিগরি পরার্মশক কমিটির সভায় এসব সুপারিশ করা হয় বলে কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লার সভাপতিত্বে ও সব সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে সুপারিশসমূহ গৃহীত হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিম্নমুখী। তবে পাশের দেশের সংক্রমণের কারণে বাংলাদেশের অবস্থার পরিবর্তন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এ পরিপ্রেক্ষিত সার্বিক প্রস্তুতি, বিশেষ করে অক্সিজেন সংকট মোকাবিলায় সতর্ক করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনার ‘ডাবল ভেরিয়েন্ট’ (নতুন প্রজাতি) চিহ্নিত হয়েছে। এই প্রজাতি আমাদের দেশে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি সংকটময় হতে পারে বলে জাতীয় কারিগরি কমিটি আশঙ্কা ব্যক্ত করে।

কমিটি বলছে, ভারত থেকে আসা সব যাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ১৪ দিন থাকা নিশ্চিত করতে হবে। বর্ডার দিয়ে জনগণের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি জোরদার করতে হবে। এ বিষয়ে কোনও ধরনের শিথিলতা কাম্য নয়। ভারত থেকে আগত ১০ জন সংক্রমিত ব্যক্তি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলে যায়। উক্ত চলাচলের সময় এরা যাদের সংস্পর্শে এসেছে তাদের চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টিন করা প্রয়োজন।

এখানে উল্লেখ্য যে, উচ্চ সংক্রমণশীল দেশ থেকেও বাংলাদেশে যাতায়াত বন্ধ করা বা সীমিত করা প্রয়োজন এবং এই সব দেশ থেকে আগত যাত্রীদেরও ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT